রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া বা রুশ বাহিনীর ওপর যদি ‘পারমাণবিক উপাদান’ ব্যবহার করে কোনো হামলা হয়, তাহলে তার পরিণতি কী হতে পারে—তা মস্কোর শত্রুরা ভালোভাবেই জানে।
পরমাণু হামলা
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট এশিয়ার দেশ জাপানের হিরোশিমা শহরে প্রথম পরমাণু বোমা হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় হিরোশিমা শহরটি ধ্বংস হয়ে যায়। এতে নিহত হয় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। এর তিনদিন পর জাপানের নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় পরমাণু বোমা হামলা চালায় আমেরিকা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক-ইয়েল দক্ষিণ কোরিয়ায় মাঝে মাঝে পরমাণু সাবমেরিন মোতায়েনের একটি চুক্তিতে সই করেছেন। এছাড়া উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের পরমাণু বোমা ব্যবহার করতেও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেছেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনের ওপর পরমাণু হামলা চালায় তাহলে রুশ বাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে। গত মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে ছোট পরিসরে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইউক্রেন আগ্রাসনের অংশ হিসেবে রাশিয়া পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করলে, এর ‘ভয়াবহ’ পরিণতির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র মস্কোকে একান্তভাবে সতর্ক করে দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।